পদার্থ : পৃথিবীর সবচেয়ে ভারী ও হাল্কা ধাতু

পৃথিবীতে আজ পর্যনত্ম যত ধাতু ব্যবহৃত হয়েছে তাদের মধ্যে সবচেয়ে ভারী ধাতুটির নাম-ওসমিয়াম৷ আর পৃথিবীর সবচেয়ে হাল্কা ধাতব পদার্থ হলো-লিথিয়াম৷ উলেস্নখ্য, এক ঘন সেন্টিমিটার ওসমিয়ামের ওজন ২৫.৪৮ গ্রাম আবার এক ঘন সেন্টিমিটার লিথিয়ামের ওজন ০.৫৩৪ গ্রাম৷ সুতরাং দেখা যাচ্ছে এক ঘন সেন্টিমিটারে উভয়ের পার্থক্য বেশ রকমের৷

প্রকৃতির বিচারে দেখা গেছে ওসমিয়াম ধাতু সাদা বর্ণ বিশিষ্ট৷ এটি খুবই শক্ত এবং খুবই ভঙ্গুর ধাতু ও এটিকে শঙ্কর ধাতু হিসেবে পাওয়া যায়৷ খনি হতে প্রাপ্ত বিশুদ্ধ ধাতু এটি অবশ্যই নয়৷ ধাতু হিসেবে ওসমিয়াম মূল্যবান বলে বিবেচিত হয়৷ এটির আবিষ্কারক বিজ্ঞানী এস টেনান্ট৷ দীর্ঘদিনের গবেষণার পর ১৮০৪ সালে তিনি এ মূল্যবান ধাতুটি আবিষ্কার করেন৷

পৃথিবীর সবচেয়ে হাল্কা ধাতু লিথিয়ামের বর্ণও সাদা এবং এটি খুবই নরম হয়৷ এটির আবিষ্কারক বিজ্ঞানী জে এ আফওয়েডসন৷ তিনি সুইডেনের অধিবাসী৷ ১৮১৭ সালে তিনি এ ধাতুটি আবিষ্কার করেন৷ ট্রাইফাইলাইট এবং লেপিজেলাইট নামক আকরিক পদার্থটির প্রধান আকরিক হিসেবে এটি গণ্য হয়৷ আফ্রিকা, রোডেশিয়া, দৰিণ আমেরিকায় এ আকরিক খুব বেশি পরিমাণে পাওয়া যায়৷ অস্ট্রেলিয়াতেও কিছু পরিমাণে ট্রাইফাইলাইট এবং লেপিডোলাইট-এর খোঁজ পাওয়া গেছে৷ গ্রিজকে ঘননত্ম বৃদ্ধি করতে এর ব্যবহার প্রচুর৷ ধাতুটিকে কেরোসিনের মধ্যে রাখতে হয়৷ কেননা, পানির সঙ্গে এর রাসায়নিক বিক্রিয়া সংঘটিত হয় বলেই এ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়৷

Leave a Reply

Please log in using one of these methods to post your comment:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s