অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে জেলা প্রশাসক বরাবার ডকুমেন্টসহ লিখিত আবেদন

মুন্সীগঞ্জ আদর্শ মাদ্রাসার অধ্যক্ষ জামাত নেতা মাহবুবুর রহমানকে অপসারণ ও তার ভাগিনা, ভাতিজিকে আইনের আওতায় আনার দাবিতে জেলা প্রশাসক বরাবর ডকুমেন্টসহ লিখিত আবেদন করেছে মাদ্রাসার ছাত্ররা। জেলা প্রশাসকের কার্যালয় সূত্রে জানাযায়, গত- ২১-০৭-১৬ তারিখ দুপুর ১ টার সময় ২০-২৫ জন ছাত্র জেলা প্রশাসকের হাতে লিখিত অভিযোগসহ ভিডিও ডকুমেন্ট তুলে দেন ছাত্ররা। এদিকে মাদ্রাসার ছাত্র- শিক্ষক অধ্যক্ষেরে অপসারনের দাবি জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি নিয়ে মাঠে নেমেছে মাদ্রাসার ছাত্র- শিক্ষক ও মুন্সীগঞ্জের সচেতন সমাজ।

মাদ্রাসা ছাত্রীর সাথে পর্ণভিডিও তৈরীর পৃষ্ঠপোষক অধ্যক্ষ মাহবুবুর রহমান এখনও মাদ্রাসায় বহাল তবিয়তে রয়েছেন। অধ্যক্ষের মদদে তার আপন ভাগিনা সাকিব কামাল ও ভাতিজি আকলিমা দুই জনে পরস্পর যোগসাজসে বিভিন্ন কৌশলে মাদ্রাসার ছাত্রীদের ফাঁদে ফেলে পর্ণভিডিও তৈরী করেন। আর সেটাকে পুঁজি বানিয়ে নিরীহ ছাত্রীদেরকে ভোগ বিলাস,অর্থ আদায়সহ মাদ্রাসার ছাত্রীদের সাথে যৌন মিলনের ভিডিও জমা রাখিত যাতে পূনরায় ছাত্রীরা শিক্ষকের কাছে আসতে বাধ্য হয়।

মুন্সীগঞ্জ আদর্শ মাদ্রাসার সকল যৌন কর্ম করতে শিক্ষক শাকিব কামালের সহযোগিতায় ছিলেন সহকারী শিক্ষিকা আকলিমা আক্তার। এমনি একটি যৌন ভিডিও এখন মাদ্রাসার ছাত্র ও সাধারনসহ সর্ব মহলে আলোচনা সমালোচনার ঝড় উঠেছে। মাদ্রাসার ছাত্ররা দীর্ঘ দিন ধরে অধ্যক্ষ ও তার ভাগিনার অপকর্মের প্রতিবাদ করে আসলেও কোন সুফল আসেনি।বর্তমানে মাদ্রাসা ছাত্রীর সাথে শিক্ষকের পর্ণ ভিডিও গনমাধ্যমে প্রচার হওয়ায় ছাত্র- শিক্ষকদের মাদ্রাসা ছাড়া করার হুমকি দিচ্ছে অধ্যক্ষ।চত্বুর অধ্যক্ষ জামাত নেতা মাহবুবুর রহমান অভিযুক্ত শাকিব কামাল ও আকলিমাকে পালিয়ে যেতে সহযোগিতা করেন।

এখন মাদ্রাসার অধ্যক্ষ ছাত্রদের প্রতি ক্ষিপ্ত হয়ে হুমকি দামকি দিচ্ছে যে, তোদের কারনে আমার ভাগিনা আর ভাতিজিকে চলে যেতে হয়েছে। তোদেরকে মাদ্রাসা ছাড়া করবো । আবেদনকারী ছাত্ররা জানায় অধ্যক্ষ মাহবুবুর রহমান তার ভাগিনা আর ভাতিজাকে আইনের আওতায় না আনলে বড় ধরনের কর্মসূচী ঘোষনা করা হবে। এই পর্ণ ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার হওয়ার পর থেকে মুন্সীগঞ্জের সর্ব সাধারনের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে। উপজেলা জামাতের আমির হয়ে কিভাবে মাদ্রাসার অধ্যক্ষ হয়? এই নেক্কারজনক ঘটনায় মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটি কোন ব্যবস্থা না নেওয়ায় তীব্র ক্ষোভ জানিয়েছেন, এডভোকেট তোতা মিয়া, আব্দুল আজিম স্বপন, মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সদস্য এড. আবুল হোসেন, সাখাওয়াত হোসেন, আসাদুজ্জামানসহ অনেকে।

জেলা শিক্ষা অফিসার মো: শরিফুল ইসলাম এর সাথে ফেনালাপকালে তিনি বলেন, মাহাবুবুর রহমান জামাত করে সেটা আমার জানা নেই, তবে লোক মুখে শুনতে পেয়েছি সে জামাতের সাথে সম্পৃক্ত আছে। পর্ণগ্রাফীর বিষয়টি আমার জানা নেই এটা জেলা প্রশাসকের কাছের প্রতিষ্ঠান উপযুক্ত ডকুমেন্ট পেলে বিধি অনুযায়ী আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

চমক নিউজ

Leave a Reply

Please log in using one of these methods to post your comment:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s