তিন খুন মামলায় আসামিরা জামিনে! আতঙ্কে বাদী পক্ষ

jaminগজারিয়ায় চাঞ্চল্যকর ট্রিপল মার্ডার মামলায় হাইকোর্ট থেকে ৫৫ আসামির জামিন নিয়ে নানা গুঞ্জন চলছে। স্থানীয়রা বলছেন, জামিন পেয়ে আসামিরা মামলাটি দুর্বল করতে প্রভাব ফেলছে। এছাড়া এই আসামিদের জামিন হওয়ায় বাদী পক্ষে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। গত ৭ সেপ্টেম্বর বিচারপতি একেএম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি জাফর আহমেদের সসন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে তিনটি জামিন আবেদনের প্রেক্ষিতে এই ৫৫ আসামির জামিন হয়। এদিকে এই দুই মাস ৯ দিনেও উদ্ধার হয়নি হামলার সময় অপহৃত দু’জন।

জানা গেছে, গত ১৪ জুলাই চরবলাকী গ্রামে প্রস্তাবিত শিল্প প্রতিষ্ঠানের মাটি ভরাট কাজের হিস্যা নিয়ে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা আমিরুল হকের লোকজন হোসেন্দী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল মতিন মন্টুর পক্ষের লোকজনের ওপর হামলা করে। এতে গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই নিহত হয় নবনির্বাচিত ইউপি সদস্য গোলাপ হোসেন বেপারী (৪৮) ও তার ছোট ভাই আইয়ুব আলী বেপারী (৩০)। হামলাকারীরা আরও দু’জনকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। এ সময় সাতজন গুলিবিদ্ধসহ ত্রিশজন আহত হন। এক সপ্তাহ পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও একজনের মৃত্যু হয় । তবে এখনও অপহৃত দু’জন উদ্ধার হয়নি। তাদের ভাগ্যে কি ঘটেছে তাও জানা যায়নি।

ঘটনার তিনদিনের মাথায় ১৭ জুলাই মজনু মিয়া বাদী হয়ে তার দুই ছেলে নিহত হওয়ায় ঘটনায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরে এই মামলায় আরও এক জন নিহত হওয়ার ঘটনাও যুক্ত করা হয়। মামলায় গজারিয়ার আওয়ামী লীগ নেতা আমিরুল ইসলাম, তার ছেলে যুবলীগ নেতা নাজমুল হোসেন, ডাকাত দলের সদস্য শাহপরাণ, মনা মিয়া, সেকান্দার আলী ও আরিফ হোসেনসহ ১২৯ জনকে আসামি করা হয়েছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় এক ব্যক্তি বলেন, এত বড় একটি ঘটনার আসামিরা হাইকোর্ট থেকে জামিন পেয়ে গেল। এখন তারা কি বসে থাকবে। তারাও তো নিজেদের মামলা থেকে বাঁচতে সব ধরনের চেষ্টা করবে এটাই স্বাভাবিক।

জনকন্ঠ

Leave a Reply

Please log in using one of these methods to post your comment:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s